মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ মে ২০১৯

পরিচিতি

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম

 

নৌ পরিবহন অধিদপ্তর

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নৌ  পরিবহন অধিদপ্তর একটি রেগুলেটরি সংস্থা। সংস্থাটি ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়। মহা-পরিচালক অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে কার্য পরিচালনা করেন। অধিদপ্তর বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৩, ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬, বাংলাদেশ ফ্ল্যাগ ভেসেল (প্রটেকশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ ও সময় সময় সরকার কর্তৃক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রদত্ত কার্যক্রমসমূহ সম্পাদন করে। ১৯৭৬ সনে অধিদপ্তরের গঠন, এবং ১৯৮৩ সনে এনাম কমিটির রিপোর্ট এবং সরকারী আদেশ অনুযায়ী সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে নিম্নলিখিত অফিস সমূহ রয়েছে।

 

১।      নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস সমুহ :-

 

     ক. নৌ-বাণিজ্য দপ্তর, চট্রগ্রাম;

খ. সরকারী সমুদ্র পরিবহন অফিস, চট্রগ্রাম;

গ. নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর, চট্রগ্রাম;

ঘ. অভ্যন্তরীণ নৌ-যান জরীপ ও নিবন্ধীকরণ অফিস, ঢাকা/নারায়নগঞ্জ/বরিশাল/খুলনা;

ঙ. অভ্যন্তরীন নৌ-যান পরিদর্শনালয়, ঢাকা/নারায়ণগঞ্জ/চাঁদপুর/পটুয়াখালী/বরিশাল/খুলনা/ চট্রগ্রাম;

 

২।  অধিদপ্তরের বিস্তারিত কার্যাবলীঃ

 

ক)   জাতীয় কার্যাবলী:-

   ১. অভ্যন্তরীণ জাহাজের কর্মকর্তা/নাবিকদের যোগ্যতা সনদ পরীক্ষা গ্রহণ/পরিচালনা;  ২০১৮ সনে ২৯২৪ জন ইনল্যান্ড মাস্টার এবং ১৪৮৪ জন ইনল্যান্ড ড্রাইভার মোট ৪৪০৮ জনের পরীক্ষা গ্রহন করা হয়েছে;

   ২. অভ্যন্তরীণ নৌযানের সার্ভে ও রেজিষ্ট্রেশন করা; ২০১৮ সনে মোট ৫৯৮৯টি ইনল্যান্ড নৌযান সার্ভে করা হয়েছে এবং ৫৮৪টি অভ্যন্তরীণ নৌযান রেজিষ্ট্রি করা হয়েছে;

   ৩. অভ্যন্তরীণ নৌযানের নকশা ও ডিজাইন অনুমোদন; ২০১৮ সনে বিভিন্ন ধরণের ৪৪৭ টি জাহাজের নক্সা অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪৫টি মালবাহী, ৩৫টি তৈলবাহী, ২৩টি যাত্রীবাহী এবং অন্যান্য ৪৪টি;

   ৪. আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মেরিন কোর্ট-এ বিচার কার্য পরিচালনা; ২০১৮ সনে মেরিন কোর্টে ৪১২টি মামলা দায়ের করা হয়; এই সময়ে পূর্বের দায়ের করা মামলা সহ মোট ৬৩১টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়; 

   ৫. বে-ক্রসিং অনুমতি প্রদান; ২০১৮ সনে ১২৬০টি বে-ক্রসিং অনুমতি প্রদান করা হয়;

   ৬. নৌ-দুর্ঘটনা তদন্ত করা; ২০১৮ সনে ২৩টি নৌ দূর্ঘটনার তদন্ত করা হয়েছে;

   ৭. ভ্রাম্যমান নৌ-আদালত পরিচালনা;

   ৮. ক্লাসিফিকেশন সোসাইটিসমূহের কার্যক্রম মনিটরিং করা;

   ৯. সকল ধরণের নাবিকদের চক্ষু পরীক্ষা গ্রহণ;

  ১০. অভ্যন্তরীন শিপিং অধ্যাদেশের আওতায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের অভ্যন্তরীন জাহাজ সমূহ রেজিষ্ট্রি ও সার্ভেকরণ;

  ১১. অভ্যন্তরীণ নৌযান পরিদর্শন;

  ১২. আইন অমান্যকারী নৌযান/মালিক/মাষ্টার-দের বিরুদ্ধে মামলা প্রদান;

  ১৩. মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা করা।

 

খ)  আন্তর্জাতিক কার্যাবলী:-

   ১. বাংলাদেশের বন্দরে আগত বিদেশী জাহাজ সমূহকে পোর্ট ষ্টেট কন্ট্রোলের আওতায় পরিদর্শনকরণ; ২০১৮ সনে ৩০০টি জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে;

   ২. বাংলাদেশের বন্দরে আগত সকল নৌযানের ফিটনেস যাচাইকরতঃ অনাপত্তি সনদ জারীকরণ;

   ৩. সমুদ্র বন্দরে জাহাজের আগমন-নির্গমন অনুমতি প্রদান; ২০১৮ সনে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৬৬৪টি এবং মংলা বন্দরে ২২৩৩টি জাহাজের আগমন-নির্গমন অনুমতি প্রদান করা হয়েছে;

   ৪. সমুদ্রগামী জাহাজের চার্টারিং অনুমতি- ২০১৮ সনে ৫২ টি চার্টারিং পারমিশন প্রদান করা হয়;

   ৫. বাংলাদেশের সমুদ্রগামী ও উপকুলীয় জাহাজ এবং ফিশিং ট্রলার, ফিশিং বোট সমুহের রেজিষ্ট্রেশন, উহাদের বাৎসরিক সার্ভে কার্যক্রম পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট নৌযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সনদ জারীকরণ; ১১টি সমুদ্রগামী জাহাজ বাংলাদেশ ফ্ল্যাগের আওতায় রেজিষ্ট্রি করা হয়েছে;

   ৬. বাংলাদেশী জাহাজের অনুকুলে ভয়েজ লাইসেন্স জারী করনের লক্ষ্যে শিপিং অথরিটি হিসেবে দায়িত্ব পালন ;

   ৭. ফ্ল্যাগ ভেসেল প্রটেকশান অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর বাস্তবায়ন এবং উহার আওতায় প্রেসক্রাইবড অথরিটি এর দায়িত্ব পালন;

   ৮. নিরপেক্ষ মেরিন প্রফেশনাল সার্ভেয়ারদের লাইসেন্স জারী; ২০১৮ সালে ৪৩টি শিপ মেরিন প্রফেশনাল সার্ভেয়ারদের লাইসেন্স জারী করা হয়;

   ৯. কুতুবদিয়া, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন বাতিঘর পরিচালনার মাধ্যমে নৌযান সমূহকে দিক নির্দেশনা প্রদান ও রাজস্ব আদায়;

  ১০. আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নে কার্যক্রম গ্রহণ;

  ১১. বাংলাদেশের আওতাভুক্ত অঞ্চলে বিপদগ্রস্থ জাহাজ উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা;

  ১২. মেরিটাইম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মনিটরিং করা;

  ১৩. বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে জলদস্যুতা ও অবৈধ কার্যক্রম রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা;

  ১৪. রিসিভার অব রেকস হিসেবে দায়িত্ব পালন;

  ১৫. বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় সংঘটিত নৌযান দূর্ঘটনার তদন্ত কার্য্য পরিচালনা; 

  ১৬. বাংলাদেশ কর্তৃক স্বীকৃত নৌ-সম্পর্কীয় আন্তর্জাতিক কনভেনশনসমূহ বাস্তবায়ন; ২০১৮ সন পর্যন্ত ২৫টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করা হয়েছে;

  ১৭. আইএলও বিধান মোতাবেক বাংলাদেশী নাবিকদের বরাবরে নাবিক পরিচয়পত্র জারী; এ কার্যক্রম জানুয়ারী’১০ হতে শুরুর পর এ পর্যন্ত ১১৭০টি পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে;

  ১৮.সমুদ্রগামী জাহাজের নবীন নাবিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান;  ২০১৮ সনে ২০২জন নবীন এবং ১৫৮০জন পুরাতন নাবিকসহ মোট ২০৪৪জন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে;

  ১৯. সমুদ্রগামী জাহাজের কর্মকর্তা/নাবিকদের যোগ্যতা সনদ পরীক্ষা গ্রহণ/পরিচালনা; ২০১৮ সনে সমুদ্রগামী জাহাজের ১১১১জন ডেক অফিসার ও ৮০৮জন ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসার মোট ১৯১৯জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে;

  ২০. ম্যানিং এজেন্টদের লাইসেন্স প্রদান; ২০১৮ সনে ৬টি প্রতিষ্ঠনকে ম্যানিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে; বর্তমানে মোট লাইসেন্স প্রাপ্ত ম্যানিং এজেন্টের সংখ্য ৬৬টি;

  ২১. বিদেশী জাহাজে বাংলাদেশী নাবিক অধিক সংখ্যক নিয়োগ করে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহযোগিতা করা; ২০১৮ সনে অফিসার ৪২৩৪জন, ক্যাডেট ৯৩৪জন, রেটিং ২০৪৪জনসহ সর্বমোট৫৩৭২জন নাবিক বিদেশে গমন করেছে;

  ২২. এসটিসিডব্লিউ কনভেনশন ও ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কর্মকর্তা, ক্যাডেট ও রেটিংদের প্রশিক্ষণ মনিটরিং করা; 

  ২৩. আইএমও, আইএলও, আংটাড (UNCTAD), D-8 এবং শিপিং সংক্রান্ত অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা;

  ২৪. অন্যান্য মেরিটাইম দেশের সাথে সম্পাদিত শিপিং চুক্তি বাস্তবায়ন করণ;

  ২৫. এসটিসিডব্লিউ’৯৫ অনুযায়ী ট্রেনিং ও সনদায়ন বিষয়ে আইএমও সদস্য দেশসমূহের সাথে সমঝতা স্বাক্ষরের ব্যবস্থা গ্রহণ;

  ২৬. বিশ্ব নৌ-দিবস উদযাপন;

  ২৭. বিদেশে বিভিন্ন জাহাজে নাবিক হিসাবে কর্মরতদের মাঝে নাবিক পরিচয়পত্র জারী;

  ২৮. রিক্যাপ (ReCAAP) এর ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন;

  ২৯. বাংলাদেশ পতাকাবাহী জাহাজের ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণ;

  ৩০. শিপিং বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান;

  ৩১. শিপিং বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন;

  ৩২. নৌ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ;

  ৩৩. জীবন রক্ষাকারী এবং অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রাদির সার্ভিসিং সংস্থা পরিদর্শন ও অনুমোদন প্রদান ;

  ৩৪. বাণিজ্যিক জাহাজের অফিসারদের চক্ষু পরীক্ষা গ্রহণ; ২০১৮সনে প্রায় ২২৮৫জনের চক্ষু পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়;

  ৩৫. সমুদ্রগামী জাহাজের কর্মরত নাবিকদের আপডেটিং প্রশিক্ষণ প্রদান;

  ৩৬. বাংলাদেশ নৌ-বাণিজ্য অধ্যাদেশ-৮৩ এবং উহার আওতায় প্রনীত বিধিমালা মোতাবেক সমুদ্রগামী জাহাজে নাবিক নিয়োগ ও নিষকৃৃতি তদারকি করা ;

  ৩৭. সমুদ্রগামী জাহাজে নিয়োগ, নিষকৃতি এবং বেতন-ভাতা পাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশী নাবিকদের স্বার্থ রক্ষা করা;

  ৩৮. বাংলাদেশ নাবিক নিয়োগ বিধিমালা-২০০১ অনুসারে দেশী/বিদেশী জাহাজে মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী নাবিক নিয়োগ করা ও বাংলাদেশী নাবিক নিয়োগ বৃদ্ধি করা;

  ৩৯. নাবিক তহবিলে জমাকৃত ডেফার্ড ক্রেডিট এবং গ্রেচুইটির অর্থের পরিচালনা ও সংরক্ষন করা;

  ৪০. বিধি মোতাবেক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর, নবায়ন, চুক্তিপত্র সরবরাহ, ভয়েজ এন্ডোর্জমেন্ট, জাহাজের আগমন/ বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান, ধারাবাহিক নিষকৃতি সনদ, পরিচয়পত্র, রোষ্টার বুক, ইত্যাদি ইস্যু করা, কলকার্ড ইস্যু করা এবং বিদেশী নাবিকদের প্রত্যাবর্তনে সহযোগীতা করা ও বিভিন্ন ধরনের ফরম বিক্রয় ও রাজস্ব আদায় করন;

  ৪১. মেরিটাইম বোর্ড এগ্রিমেন্ট/আই.এল.ও কনভেনশন অনুযায়ী জাহাজ মালিকদের নিকট হতে অর্থ আদায় পূর্বক মৃত/অসুস্থ/ক্ষতিগ্রস্থ নাবিকদের কিংবা তাদের উত্তরাধিকারীগণকে অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা করা;

  ৪২. বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে দেশী/বিদেশী জাহাজ পরিদর্শন করা;

  ৪৩. নাবিক নিয়োগ/কর্মসংস্থান সৃষ্টি/বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সময় সময় সরকারকে পরামর্শ দেওয়া;

  ৪৪. নাবিক হোষ্টেলের মাধ্যমে নাবিক ও নৌ-কর্মকর্তাদের থাকা, খাওয়া, চিত্তবিনোদন ও চিকিৎসা ইত্যাদি সুবিধা প্রদান;

  ৪৫. জাহাজে কর্মরত নাবিকদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা, পানীয় ও অন্যান্য সুবিধাদি দেখাশুনার নিমিত্তে জাহাজ পরিদর্শন করে  তাদের ন্যায়ানুগ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাবিকদের ন্যায্য পাওনা, ক্ষতিপূরণ, বকেয়া বেতন ও অন্যান্য স্বার্থ সংশ্লি­ষ্ট বিষয়ে নাবিকদের আইনানুগ প্রাপ্তি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ;

  ৪৬. নাবিক সন্তান-সন্ততিদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানকল্পে (শিক্ষা অনুদান) সীম্যান্স এডুকেশন ট্রাষ্ট ফান্ড পরিচালনা করা এবং নাবিক কল্যাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন স্কীম প্রণয়ন;

  ৪৭. জাহাজে চাকুরীকালে নাবিক পরিবারের প্রতি কোন প্রকার অত্যাচার, নির্যাতন কিংবা সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন বিরোধ ও অন্যান্য অসুবিধার ক্ষেত্রে (অভিযোগ প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে) স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে নাবিক পরিবারকে সহযোগিতা প্রদান;

  ৪৮. নাবিকদের বিভিন্ন সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা এবং চট্টগ্রামস্থ ব্যক্তিমালিকানাধীন বে-সরকারী মেরিটাইম ট্রেনিং ইন্সটিটিউট সমূহে পরিচালিত বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্স সমূহের মান উন্নয়ন কল্পে মনিটরিং;

  ৪৯. সীম্যান্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড, সীম্যান্স ওয়েলফেয়ার ফান্ড কমিটি, সীম্যান্স এমপ্ল­য়মেন্ট কমিটি, ম্যানিং এজেন্ট লাইসেন্স বাছাই কমিটি ইত্যাদিতে সদস্য/সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করা এবং আই.এম.ও, আই.এল.ও কনভেনশন, রিকমন্ডেশন ইত্যাদি বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট মতামত ও সুপারিশ প্রদান;

 

৩।        নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস সমূহের সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম -

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সমপাদনের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সকল নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস রয়েছে তার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিম্নে দেয়া হলোঃ

 

 

  এ. নৌ-বাণিজ্য দপ্তর

এই অফিসের প্রধান কার্যালয় চট্রগ্রামে এবং শাখা অফিস খুলনায় অবস্থিত। প্রিন্সিপাল অফিসার অফিসের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। নৌ-বাণিজ্য দপ্তর মার্চেন্ট শিপিং অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর আওতায় সমুদ্রগামী ও উপকূলীয় জাহাজের সার্ভে ও রেজিষ্ট্রেশন, জাহাজ চলাচলের উপযুক্ততার সনদসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সনদপত্র এ অফিস হতে জারী করা হয়। কক্সবাজার, কুতুবদিয়া ও সেন্টমার্টিন  ৩ (তিন)টি বাতিঘর পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষণ এই অফিস হতে করা হয়ে থাকে। বাতিঘর সুবিধা প্রদান করায় বাংলাদেশ বন্দরে আগমনকারী বিদেশী জাহাজ হতে বাতিকর বাবদ বৎসরে প্রায় ছয় কোটি টাকা আয় হয়। ডিসেম্বর’১৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর আওতায় রেজিষ্ট্রিকৃত জাহাজ সংখ্যা নিম্নরূপ ঃ-

 

নৌ-যানের ধরন

সংখ্যা

সমুদ্রগামী জাহাজ

  ৩৭

কন্টেইনার জাহাজ

২৪

কোষ্টার         

 ১০৫

যাত্রীবাহী জাহাজ

  ২৪

ট্যাংকার

  ২০৪

মাছ ধরার নৌকা

১১,২০৯

মাছ ধরার ট্রলার

২৪৯

মালামাল পরিবহন নৌকা

২,৮৫৭

অন্যান্য

  ৩৮

মোট

১৪,৭৪৭

 

 বি.  সরকারী সমুদ্র পরিবহন ( শিপিং) অফিস, চট্রগ্রাম:

১৯৪৮ সনে এই অফিসটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শিপিং মাষ্টার দাপ্তরিক প্রধান হিসাবে অফিসটি পরিচালনা করেন। নাবিকদের সমুদ্রগামী জাহাজে নিয়োগ, নিষ্কৃতি এবং নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক নাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এ অফিসের প্রধান দায়িত্ব। তাছাড়া অফিসটি নাবিক ও জাহাজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ নিসপত্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনসহ নাবিক কল্যাণে সরকারী বিভিন্ন নির্দেশ মোতাবেক দায়িত্ব পালন করে থাকে। নাবিক নিয়োগের জন্য রোষ্টার প্রথা চালু আছে। বর্তমানে১০২০৫ নৌকর্মকর্তা এবং ৩,৮৪৯ জন রেজিষ্ট্রার্ড নাবিক রয়েছে। তন্মধ্যে  ১৭৪৮ জন দেশীয় জাহাজে এবং ৬৪১৭ জন বিদেশী জাহাজে চাকুরীরত আছে। নৌকর্মকর্তা এবং নাবিকদের বেতন বাবদ দেশে বৎসরে প্রায় ১৮২৬ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

 

 

 

 সি  নাবিক প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর:

নাবিক সমপ্রদায়কে শোষন ও বঞ্চনার হাত হতে রক্ষা করার জন্য অবিভক্ত ভারতেই নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইতিপুর্বে পরিদপ্তরটি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ছিল। ১৯৮০ সালে পরিদপ্তরটিকে নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অধীন নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীনে ন্যস্ত করা হয়েছে। পরিদপ্তরের চট্রগ্রাম ও মংলায় দু‘টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। এই পরিদপ্তর নাবিকদের জন্য একটি নাবিক নিবাস পরিচালনা করছে। নাবিক নিবাসে নাবিকদের স্বল্প মূল্যে থাকা এবং চিকিৎসার বন্দোবস্ত আছে। একজন পরিচালক পরিদপ্তরের প্রধান হিসাবে কাজ করেন। নাবিক কল্যাণ সমপর্কীয় আই,এল,ও কনভেনশন এবং আই,এম,ও কনভেনশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করা এবং দেশে বিদেশে বাংলাদেশী নাবিকদের কল্যাণ ও বিনোদন সংক্রানত্ম বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই এই পরিদপ্তরের মুখ্য দায়িত্ব।

 

 ডি.  অভ্যন্তরীণ নৌযান জরীপ নিবন্ধন অফিস, ( ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বরিশাল খুলনা );

অভ্যন্তরীণ নৌ-অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর আওতায় অভ্যন্তরীণ নৌযান জরীপ ও নিবন্ধিকরণের জন্য ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাতে এই অফিস রয়েছে। প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক এ অফিসের প্রধান কর্মকর্তা। নৌ-যানের কারিগরী মান নিয়ন্ত্রন, জীবনরক্ষাকারী ও অগ্নিনির্বাপনকারী সরঞ্জাম পরীক্ষা করণ ইত্যাদি এ সকল অফিসের মূখ্য ভুমিকা। ডিসেম্বর’১৮ পর্যন্ত এই সকল অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত নৌযান সংখ্যা  নিম্নরূপ:-

নৌ-যানের ধরন

সংখ্যা

যাত্রীবাহী নৌ-যান

 

মালবাহী নৌ-যান

 

ফেরী

  

ট্যাংকার

  

ডাম্ব বার্জ

 

মাছ ধরা নৌকা

  

ড্রেজার, বালুবাহী, টাগবোট, ওয়ার্কবোট ও অন্যান্য

 

মোট

১১,৩০৮

 

  ই. অভ্যন্তরীণ নৌযান পরিদর্শনালয় (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, বরিশাল,পটুয়াখালী চট্টগ্রাম);

অভ্যন্তরীণ নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে নৌ পথে চলাচলকারী নৌযানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কাগজপত্র সরজমিনে পরীক্ষা করা এবং এতদসংক্রান্ত বিধি লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে মেরিন কোর্টে মামলা দায়ের করা, সংশ্লিষ্ঠ এলাকায় মোবাইল কোট পরিচালনায় সহায়তা প্রদান পরিদর্শনালয়ের মূখ্য দায়িত্ব। । পরিদর্শনালয়ের আওতায় পরিদর্শকগণ দেশের বিভিন্ন নদী বন্দরে এই দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত আছেন। মুখ্য পরিদর্শক পরিদর্শনালয়ের প্রধান হিসাবে কাজ করেন।

 

 এফ. ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট, চট্রগ্রাম;

আই,এম, ও কনভেনশন (STCW) ও কতিপয় আই এল ও মেরিটাইম কনভেনশনের আলোকে নবীন ও কর্মরত নাবিকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ নাবিক গড়ে তোলাই ইহার মূখ্য উদ্দেশ্য। ইন্সটিটিউটে ৩ (তিন) দিন হতে ৬ (ছয়) মাস মেয়াদী সংশ্লিষ্ঠ বিভিন্ন কোর্সে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা রয়েছে। ১৯৯০ সন হতে  ২০১৪ সনের জুন মাস পর্যন্ত ২,৬১০ জন নবীন এবং ৮,৮৭৫ জন প্রবীন নাবিককে উন্নত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। একজন অধ্যক্ষ নাবিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান হিসাবে কাজ করেন।

 

৪।        অধিদপ্তরের  বিগত  সরের আর্থিক চিত্র 

এ. বিভিন্ন ফিস ও কোর্ট আরোপিত জরিমানা হতে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয়ে থাকে। খাতওয়ারী ২০১২-২০১৩ এবং ২০১৩-২০১৪ ইং সালে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের ও ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন  অফিস সমূহের আয় নিম্নরূপ(লক্ষ টাকায়)-                   

খাত

২০১২-২০১৩

২০১৩-২০১৪

নৌ-যান সার্ভে

নৌ-যান রেজিষ্ট্রেশন

বিভিন্ন পরীক্ষার ফি

মেরিন ও মোবাইল কোর্ট বাবদ প্রাপ্তি

বাতিকর

অন্যান্য

১১৬.৪১

১০.২৩

৪১.২২

৩৪.১১

৫৯২.২৯

১৬২.৫৭

১২৪.৬৮

১৬.৪৬

৪৮.৩৭

৪৯.৭০

৭৩০.২৮

১৯৭.২০

মোট

৯৫৬.৮৩

১,১৬৬.৬৯

 

 বি. সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর এবং ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন অফিস সমূহের গত ৩ বছরের আয়-ব্যয় বিবরনী(হাজার টাকায়):-                              

সর

মোট প্রকৃত আয়

মোট প্রকৃত ব্যয়

২০১৫-২০১৬

২০১৬-২০১৭

২০১৭-২০১৮

২৯,০৩,৩৪

৩৩,৪৬,১৭

৩৮,৯৭,৬৯

১১,৬৩,৪৫

১৬,১৫,৩৬

১৬,৫৬,২

 

৫।        অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণাধীন অফিসসমূহের জনবল :-

 

 পদ

প্রথম শ্রেনী

দ্বিতীয় শ্রেনী

তৃতীয় শ্রেনী

চতুর্থ শ্রেনী

মোট

অনুমোদিত

৮২

৬৭

১৭৭

৯৮

৪২৪

কর্মরত

২৪

১১

৯৫

৭৪

২০৪

 

 

৬।        অধিদপ্তর সম্পর্কীত বিবিধ বিষয়

 

জাতীয় আইন বিধি

দুষনমুক্ত নৌ পরিবেশ ও নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করনের জন্য সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর নিম্নলিখিত আইন, আইনের অধীনে প্রণীত বিধি এবং আইন দ্বারা সমর্থিত আন্তর্জাতিক কনভেনশনের আলোকে কার্যাবলী পরিচালিত করে থাকেঃ

  • বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ ।
  • বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন অধ্যাদেশ, ১৯৭৬।
  • বাংলাদেশ ফ্ল্যাগ ভেসেল (প্রটেকশন) অধ্যাদেশ, ১৯৮২।
  • মেরিটাইম জোন এ্যাক্ট, ১৯৭৪।
  •  

বাংলাদেশের মেরিটাইম প্রশিক্ষণ কম্পিটেন্সী সনদের আন্তর্জাতিক সমর্থন

১৯৯০ সাল থেকে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর সমুদ্রগামী জাহাজের অফিসার ও  মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের  কম্পিটেন্সী পরীক্ষা চালু করে। ১৯৯৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা (আই এম ও) বাংলাদেশে গৃহীত কম্পিটেন্সী পরীক্ষা পদ্ধতি স্বীকৃতি প্রদান করায় সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরে পরিচালিত কম্পিটেন্সী পরীক্ষা বিশ্বব্যাপী অধিক গ্রহণ যোগ্যতা লাভ করেছে। সে কারনে বাংলাদেশী অফিসার ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ারগন অধিকহারে বিদেশী জাহাজে নিয়োগের সুযোগ পাচেছ।

 

উল্লেখযোগ্য অর্জিত সাফল্য

   ১.  মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য ১০টি বেসরকারী মেরিটাইম ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা এবং এগুলো পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রনয়ন করা হয়েছে;

   ২. আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা International Maritime Organization(IMO)’তে বাংলাদেশ B Catagory সদস্য;

   ৩.  বাংলাদেশের  নাবিকদের  বিদেশী  জাহাজে  চাকুরী  নিশ্চিত  করার  জন্য  আইএমও  কনভেনশনের  আলোকে এ যাবৎকাল  ২৮ টি দেশের সাথে MOU স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে বিগত নয় বছরে                 ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ঘানা, ইটালী,  মালয়েশিয়া  ও  এন্টিগুয়া  এন্ড  বারমোডার সাথে Certificate of Competency সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে;

   ৪.  নাবিকদের বিদেশী জাহাজে যোগদান সহজ করার উদ্দেশ্যে  আইএলও কনভেনশনের আলোকে সীফেয়ারারর্স মেশিন রিডেবল আইডি ডকুমেন্ট জারীর  কার্যক্রম  চালু করা হয়েছে;

   ৫.  মেরিটাইম লেবার কনভেনশন অণুসমর্থন করা হয়েছে এবং বাস্থবায়ন করা হচ্ছে;

   ৬.  মেরিটাইম লেবার কনভেনশনের  চাহিদা  অনুযায়ী  নাবিকদের  স্বাস্থ্য  পরীক্ষা  সম্পাদনের  প্রক্রিয়া  সহজ  করা  হয়েছে ;

   ৭.  IMO’র  বিধান  অনুযায়ী  বাংলাদেশী  সমুদ্রগামী  জাহাজের  জন্য Long Range Identification and Tracking System (LRIT) বাস্তবায়ন করা হয়েছে;

  ৮. অভ্যন্তরীণ জাহাজে রিভারসিবল গিয়ার সংযোজন করে দূর্ঘটনা হ্রাস করা হয়েছে;

   ৯.  মানসম্মত নৌ যান নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ডকইর্য়াড  নীতিমালা প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে;

 ১০. সনদ  বর্তমান  সময়োপযোগী  করে  আধুনিকায়ন  করা  হয়েছে ;

 ১১. বাংলাদেশ নৌ-বাণিজ্যিক  জাহাজ অফিসার ও নাবিক  প্রশিক্ষণ, সনদায়ন, নিয়োগ, কর্মঘন্টা এবং ওয়ার্চকিপিং বিধিমালা ২০১১ জারী করা হয়েছে;      

 ১২. মার্চেন্ট  শিপিং  অধ্যাদেশ,  ১৯৮৩  এর  আওতায়  লেভী  সংগ্রহ  বিধিমালা,২০১৩  জারী করা হয়েছে;

 ১৩. নাবিকদের সিডিসি’র ডাটা বেইজ তৈরী করত: অন-লাইন  যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে;

 ১৪. নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর, চট্টগ্রামে নাবিক ড্রপিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে;

 ১৫. নৌপরিবহন অধিদপ্তর কর্তৃক  সমুদ্রগামী ও অভ্যমত্মরীণ জাহাজের নাবিকদের সার্টিফিকেট অব কম্পিটেন্সি (CoC), সার্টিফিকেট অব প্রফিসিয়েনন্সী (CoP) তৈরীর কাজ সম্পাদনের জন্য মোবাইল ম্যাসেজের           মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে;

 ১৬. মেরিটাইম লেবার কনভেনশন-২০০৬ (MLC-2006) এবং সীফেয়ারারর্স আইডেনটিটি ডকুমেন্ট (এসআইডি) কনভেনশন (সংশোধিত,২০০৩) অনুসমর্থন করা হয়েছে;

 ১৭. আইএমও’র আওতায়  প্রতিষ্ঠিত International Mobile  Satellite Organization (IMSO) এর মহাপরিচালক পদে বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছে। ইতোপূর্বে উক্ত পদে  ইউরোপের প্রতিনিধি        নিয়োজিত ছিলেন;

 ১৮. বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আমদানী-রপ্তানী পণ্য পরিবহন সহজ ও পরিবহন সময় সংক্ষিপ্ত করার জন্য এ দু’দেশের  মধ্যে কোষ্টাল শিপিং চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে ।


Share with :

Facebook Facebook